ঠোঁট ফাটার প্রতিরোধ জেনে নিন কি কি

ঠোঁট ফাটার প্রতিরোধ জেনে নিন কি কি

শুষ্ক আর ঠান্ডা আবহাওয়াতে খুব স্বাভাবিক যে ঠোঁট ফাটবে, ঠোঁট চিড়চিড় করবে, কখনো ফেটে গিয়ে রক্তও বেরোতে পারে। ঠোঁট মূলত ফাটে পানিশূন্যতা বা শুষ্কতার জন্য। তবে আমরা আমাদের কিছু ভুলের কারণে ঠোঁট ফাটা সমস্যাকে আরো বাড়িয়ে তুলি।

ঠোঁট ফাটা প্রতিরোধে জেনে নিন কি করতে হবে, আর কি করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

• আমাদের অনেকের একটা বাজে অভ্যাস থাকতে, জিব দিয়ে ঠোঁট চাটা, এটা বারবার করবেন না। লালায় থাকে অ্যাসিড, যা ঠোঁটের চামড়ার জন্য আরও ক্ষতিকর। সাময়িক ভিজলেও লালা শুকিয়ে গেলে ফাটা আরও খারাপ হবে।

• দ্বিতীয়ত ঠোঁটের চামড়া টানাটানি বা ওঠানো চলবে না। এতে আরও ফেটে রক্ত বেরোতে পারে। নিয়মিত সকাল ও রাতে ঠোঁট ফাটা রোধে লিপ বাম লাগান। গ্লিসারিন, পেট্রোলিয়াম জেলি ইত্যাদি ঠোঁটের জন্য প্রতিরোধমূলক আবরণ তৈরি করে। এমনকি বাড়িতে সাধারণ নারকেল তেল, ক্যাস্টর অয়েল ইত্যাদি দিয়েও সুরক্ষা মেলে।

আরো পড়ুন:  ঠোঁট ফাটা থেকে মুক্তির সহজ উপায়

ঠোঁট ফাটা থেকে মুক্তির সহজ উপায়

• এ ছাড়া ঠোঁট ফাটা প্রতিরোধ করতে প্রচুর পানি পান করুন, ভিটামিনযুক্ত খাবার যেমন ফলমূল ও শাকসবজি খান।

• অল্প মধু, লেবুর রস ও চিনি দিয়ে ঠোঁটে হালকা ম্যাসাজ করুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন।

• সমপরিমাণ গ্লিসারিন ও অলিভ অয়েল মিশিয়েও ঠোঁটে লাগিয়ে রাখতে পারেন। এটি ময়েশ্চারাইজারের কাজ করবে।

• অতিরিক্ত প্রসাধনী ব্যবহারের ফলে যেমন ত্বক ও চুলের ক্ষতি হয় তেমনি ঠোঁটের ত্বকেও এর প্রভাব পড়ে। তাই সব সময় লিপস্টিক ব্যবহার করা উচিত নয়। অতিরিক্ত লিপস্টিক ব্যবহার ঠোঁটের ত্বকের নমনীয়তা নষ্ট করে দেয়।

• সব সময় ভালো ব্র্যান্ডের লিপস্টিক ব্যবহার করুন। ব্যবহারের পর পরিষ্কার পাতলা কাপড় বা তুলায় অলিভ অয়েল, নারকেল তেল বা বেবি অয়েল ভিজিয়ে আস্তে আস্তে ঘষে ঠোঁট থেকে লিপস্টিক ভালোমতো তুলে ফেলতে হবে। তিলের তেল ঠোঁটের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

আরো পড়ুন:  পায়ের গোড়ালি ফাটা বন্ধ করার একমাত্র সহজ উপায়

ঠোঁট ফাটা থেকে মুক্তির সহজ উপায়

• ঠোঁট ফাটা রোধ করতে রঙিন জেল টুথপেস্ট ব্যবহার না করে সাদা রঙের টুথপেস্ট ব্যবহার করা ভালো।

•ফলের খোসার রসও ঠোঁটে লাগানো যাবে না। ঠোঁটে কোনো প্রসাধনী ব্যবহারের পর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে সেটা আর ব্যবহার করে উচিত হবে না। এই আবহাওয়ায় নিয়মিত ঠোঁটে পেট্রোলিয়াম জেলি মাখুন এবং প্রচুর পানি ও ফলমূল খাদ্যতালিকায় রাখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker